এনজাইমের অনুপস্থিতিতে কার্বনিক অ্যাসিড তৈরির বিক্রিয়ায় প্রতি ঘণ্টায় প্রায় কতগুলো অণু তৈরি হয়?
মাত্র ২০০টি অণু।
এনজাইমের অনুপস্থিতিতে কার্বনিক অ্যাসিড তৈরির বিক্রিয়ায় প্রতি ঘণ্টায় প্রায় কতগুলো অণু তৈরি হয়?
মাত্র ২০০টি অণু।
কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজ এনজাইমের উপস্থিতিতে কার্বনিক অ্যাসিড তৈরির বিক্রিয়ার হার কত গুণ বেড়ে যায়?
প্রায় ১ কোটি বা ১০ মিলিয়ন গুণ বেড়ে যায় (প্রতি সেকেন্ডে ৬ লক্ষ অণু তৈরি হয়)।
গ্লুকোজ থেকে পাইরুভিক অ্যাসিড তৈরির মেটাবলিক পাথওয়েতে মোট কয়টি এনজাইম-অনুঘটক বিক্রিয়া থাকে?
১০টি ভিন্ন বিক্রিয়া।
আমাদের কঙ্কাল পেশিতে (skeletal muscle) অক্সিজেনের অভাব বা অবাত অবস্থায় গ্লুকোজ ভেঙে কী তৈরি হয়?
ল্যাকটিক অ্যাসিড।
ইস্টে (yeast) সন্ধান বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ভেঙে চূড়ান্ত উৎপাদ হিসেবে কী উৎপন্ন হয়?
ইথানল (অ্যালকোহল)।
এনজাইমের অ্যাক্টিভ সাইটে সাবস্ট্রেট যুক্ত হওয়ার পর সাবস্ট্রেটের যে নতুন ক্ষণস্থায়ী গঠন তৈরি হয়, তাকে কী বলে?
ট্রানজিশন স্টেট গঠন (Transition state structure)।
একটি বিক্রিয়ায় উৎপাদ বা প্রোডাক্টের (P) শক্তির মাত্রা যদি সাবস্ট্রেটের (S) শক্তির মাত্রার চেয়ে কম হয়, তবে সেটি কী ধরনের বিক্রিয়া?
তাপদায়ী বা Exothermic reaction।
তাপগ্রাহী বা তাপদায়ী উভয় বিক্রিয়াতেই সাবস্ট্রেটকে উৎপাদে পরিণত হতে যে উচ্চ শক্তির অবস্থা পার হতে হয়, তাকে কী বলে?
ট্রানজিশন স্টেট।
সাবস্ট্রেটকে ট্রানজিশন স্টেটে পৌঁছাতে যে অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়, তাকে কী বলা হয়?
অ্যাক্টিভেশন এনার্জি বা সক্রিয়করণ শক্তি (Activation energy)।
এনজাইম-সাবস্ট্রেট (ES) কমপ্লেক্স তৈরি হওয়ার পর, সাবস্ট্রেট ভেঙে উৎপাদে পরিণত হওয়ার ঠিক আগে কোন কমপ্লেক্সটি গঠিত হয়?
এনজাইম-প্রোডাক্ট (EP) কমপ্লেক্স।
কম তাপমাত্রায় (Low temperature) এনজাইমের কার্যকারিতার কী রূপ পরিবর্তন ঘটে?
এনজাইম সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় (temporarily inactive) অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে।
উচ্চ তাপমাত্রায় এনজাইমের কার্যক্ষমতা চিরতরে নষ্ট হওয়ার কারণ কী?
কারণ প্রোটিনগুলো তাপে ডিনেচার্ড বা বিকৃত হয়ে যায়।
সাবস্ট্রেটের ঘনত্ব বাড়াতে থাকলে একপর্যায়ে বিক্রিয়ার বেগ আর বাড়ে না কেন?
কারণ এনজাইমের অণুর সংখ্যা সাবস্ট্রেটের তুলনায় কম থাকে, ফলে সমস্ত এনজাইম সম্পৃক্ত হয়ে গেলে আর কোনো মুক্ত এনজাইম থাকে না।
সাকসিনিক ডিহাইড্রোজিনেজ (Succinic dehydrogenase) এনজাইমের কম্পিটিটিভ ইনহিবিটর বা প্রতিযোগিতামূলক বাধাদায়কের নাম কী?
ম্যালোন্যাট (Malonate)।
ম্যালোন্যাট নামক ইনহিবিটরটি গঠনগত দিক থেকে কোন সাবস্ট্রেটের মতো দেখতে?
সাকসিনেট (Succinate)।
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগজীবাণু বা প্যাথোজেন নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রায়শই কোন ধরনের এনজাইম ইনহিবিটর ব্যবহার করা হয়?
কম্পিটিটিভ ইনহিবিটর।
বিক্রিয়ার ধরনের ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী এনজাইমগুলোকে প্রধান কয়টি ক্লাসে ভাগ করা হয়েছে?
৬টি ক্লাসে।
এনজাইম নামকরণের সময় প্রতিটি এনজাইমকে নির্দিষ্টভাবে কয়টি অঙ্কের (digit) মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়?
চার-অঙ্কের বা 4-digit নাম্বারের মাধ্যমে।
যে এনজাইমগুলো দুটি সাবস্ট্রেটের মধ্যে জারণ-বিজারণ (oxidoreduction) বিক্রিয়ায় সাহায্য করে, তাদের কী বলা হয়?
অক্সিডোরিডাক্টেজ বা ডিহাইড্রোজিনেজ।
যে এনজাইমগুলো এস্টার, ইথার, পেপটাইড বা গ্লাইকোসিডিক বন্ডের আর্দ্রবিশ্লেষণ (hydrolysis) ঘটায়, তাদের কী বলে?
হাইড্রোলেজ (Hydrolases)।